ইসলাম বিদ্বেষী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ইসলাম বিদ্বেষী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৬

কুমিল্লায় এক মসজিদে ঢুকে হিন্দুরা কুরআন শরীফ ছিড়ে মলমূত্র ত্যাগ করে আসলো কাদের ছায়াতলে?

ইন্ডিয়ার নির্যাতিত মুসলমানদের চাইতে বাংলাদেশের মুসলমানদের অবস্থা আরো করুন হতে যাচ্ছে। 
মসজিদে ঢুকে কুরআন শরীফ ছিড়ে সেখানে মলমূত্র ত্যাগ করে যায় এর চাইতে বড় অবমাননা আর কি আছে? 
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ধান্যদৌল গ্রামের একটি জামে মসজিদে মল-মূত্র ত্যাগ, ২৫/৩০ টি কোরআন শরীফ ছিড়ে ফেলা, কোরআন রাখার রেল ও মসজিদের ৪ টি জানালার গ্লাস ভাংচুর করার খবর পাওয়া গেছে। কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের ধান্যদৌল গ্রামের বাজারের জামে মসজিদে মঙ্গলবার গভীর রাতে হিন্দুরা মূল দরজার তালা খুলে প্রবেশ করে। পরে মসজিদের ৪টি জানালার গ্লাস, কোরআন শরীফ রাখার বেশ কিছু রেল ভাংচুর, ২৫/৩০টি পবিত্র কোরআন শরীফ ছিড়ে ফেলে এবং মসজিদের মেহরাব সংলগ্নস্থানে মল-মূত্র ত্যাগ করে পূণরায় দরজায় তালা আটকিয়ে পালিয়ে যায়। (http://bit.ly/2e8fCTdhttp://bit.ly/2enFIxC)
আল্লাহ পাকের ঘর মসজিদে ঢুকে যখন হিন্দুরা কুরআন শরীফ ছিড়ার সাহস দেখাচ্ছে, সেখানে মলমূত্র ত্যাগ করার সাহস দেখাচ্ছে প্রশ্ন হচ্ছে কাদের ছায়াতলে থেকে এই সাহস পাচ্ছে? 
একের পর এক ইসলাম অবমাননা হচ্ছে সরকার নিরব কেন? 
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর “দুর্গাপূজা শুধু হিন্দুদের নয় মুসলমানদেরও উৎসব” এই শিরকি কথার প্রতিবাদ করে ফেসবুকে স্ট্যটাস দেয়ায় এক ইমামকে গ্রেফতার করা চোখের পলকে (http://bit.ly/2euJune)। কিন্তু নিশ্চিত থাকেন মসজিদে কুরআন শরীফ ছিড়া বা মল মূত্র ত্যাগের কোন বিচার হবে না.... গ্রেফতারও হবে না কেউ। কারনটা কি বলে দিতে হবে?

ইন্ডিয়ায় মুসলমানদের গরু জবাই নিষিদ্ধ করা হয়েছে, অথচ সেই ইন্ডিয়া গরুর গোশত রপ্তানীতে বিশ্বে দ্বিতীয়

হিন্দুরা নিজেদের দেবতা জবাই হওয়ার প্রলাপ বকে মুসলমানদের গরুর জবাই করা এবং গোশত খাওয়া নিষিদ্ধ করলো, অথচ সেই ইন্ডিয়াই গরুর গোশত রপ্তানীকারক দেশ হিসেবে বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান দখল করে আছে। এমন পরস্পর বিরোধী কাজের রহস্য কি ?
<b>ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যে গরু জবাই, গরুর গোশত বিক্রি ও খাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট প্রণব মুখার্জি আজ (মঙ্গলবার) এ সংক্রান্ত বিলে সই করেছে।<b/>
এ আইন অমান্যকারী ব্যক্তি উচ্চমাত্রায় জরিমানা দেয়ার পাশাপাশি সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের মুখোমুখি হবে।
১২০ কোটি জনসংখ্যা অধ্যুষিত ভারতের প্রায় ৮০% অধিবাসী হিন্দু এবং গাভীকে তারা ‘দেবতা’ হিসেবে সম্মান করে। এ কারণে ভারতের অনেক রাজ্যে আইন করে গরু জবাই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সেক্যুলার ভারতের বাকি রাজ্যগুলোতে গরু জবাইয়ের ওপর আইনি নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও মুসলমানদের গরু জবাইয়ের ওপর কড়াকড়ি করা হয়। তবে ভারতে বিফ বা ‘লাল মাংস’ হিসেবে যা পাওয়া যায় তা মূলত মহীষের গোশত।
১৯৯৫ সালে মহারাষ্ট্র রাজ্যের বিজেপি-শিবসেনা সরকার প্রথম গরু জবাই নিষিদ্ধ করে আইন পাস করেছিল। মহারাষ্ট্র অ্যানিম্যাল প্রিজারভেশন (সংশোধন) বিলটি ১৯৯৬ সালের জানুয়ারি মাসে প্রেসিডেন্টের কাছে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু গত ১৯ বছরে ভারতের কোনো প্রেসিডেন্ট বিলটিতে সই না করায় তা আইনে পরিণত করা সম্ভব হয়নি।
গত বছর মহারাষ্ট্রে আবার ক্ষমতায় ফেরে উগ্র হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপি। এরপর দলের নেতারা আবার বিলটিকে আইনে পরিণত করার জন্য চেষ্টা চালাতে শুরু করে। গত সপ্তাহে মহারাষ্ট্র বিধানসভার একদল বিজেপি এমপি প্রেসিডেন্ট প্রণব মুখার্জির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিলটিতে সই করার অনুরোধ জানান।
আজ বিলটিতে সই করার পর মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফ্যাডনাভিস এক টুইটার বার্তায় প্রেসিডেন্ট মুখার্জিকে ধন্যবাদ জানায়।
সংবাদদাতারা জানিয়েছেন, মহারাষ্ট্রে গরু জবাই নিষিদ্ধ করে যে আইন হলো তা ভারতের ইতিহাসে এ সংক্রান্ত সবচেয়ে কঠোর আইন। কারণ, এতে গাভীর পাশাপাশি ষাঁড় ও বলদ জবাইকেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এমনকি অন্য কোথাও জবাই হয়েছে এমন গরুর গোশত সংরক্ষণও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। 

অথচ এবার&nbsp; দেখুন আসল চিত্র।&nbsp; এই ভারতই হচ্ছে বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয় গরুর গোশত রপ্তানিকারক দেশ। <strong>নিজেদের গোদেবতার গোশত বেচে তারা বিশ্বের মধ্যে গরুর গোশত রপ্তানিতের দ্বিতীয় স্থান দখল করে আছে।</strong>
<a href="http://noorejulfikar.files.wordpress.com/2015/03/wpid-2015-03-12-14_27_16.jpg"><img title="2015-03-12--14_27_16.jpg" class="alignnone size-full" alt="image" src="http://noorejulfikar.files.wordpress.com/2015/03/wpid-2015-03-12-14_27_16.jpg"/></a>
সূত্র:
(১) <a href="http://en.m.wikipedia.org/wiki/Beef">[উইকিপিডিয়া তথ্য]</a>
(২) <a href="http://www.indexmundi.com/img/g.gif">[রপ্তানিকারক দেশের তালিকা]</a>
<a href="http://noorejulfikar.files.wordpress.com/2015/03/wpid-2015-03-12-14_25_27.jpg"><img title="2015-03-12--14_25_27.jpg" class="alignnone size-full" alt="image" src="http://noorejulfikar.files.wordpress.com/2015/03/wpid-2015-03-12-14_25_27.jpg"/></a>
এখন কথা হচ্ছে,
মালাউনরা নিজেরা গোমাতার গোশত বেঁচে তালিকায় বিশ্বের দ্বিতীয় স্থানে থাকতে পারে, আর মুসলমানরা সেই গোশত খেলে হিন্দুদের চুলকানি ওঠে ? এইটা কোন আইন ?
এটা স্পষ্ট ইসলাম এবং মুসলমানদের প্রতি বিদ্বেষের বহিঃপ্রকাশ ব্যাতীত আর কিছুই নয়।

সোমবার, ৯ মার্চ, ২০১৫

মুসলমান যুবকের বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষনের অভিযোগ এনে হত্যার রহস্য উদ্ধার

অবশেষে থলের বেড়াল বের হলো:
১) নাগাল্যান্ডে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত ও গণপিটুনিতে নিহত সৈয়দ ফারিদ খান কোন নারীকে ধর্ষণ করেননি।
২) মেডিকেল রিপোর্ট অনুযায়ী অভিযোগ দায়েরকারী নারী ধর্ষিত হয়েছে, এমন কোন প্রমাণ পায়নি পুলিশ।
৩) পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, ঐ নাগা নারী সৈয়দ ফারিদ খানের কাছে ২ লক্ষ রুপি চায়, কিন্তু অর্থ না দেওয়ায় মামলা করে সে।
৪) শুধু অভিযোগের ভিত্তিতেই সৈয়দ ফারিদ খানকে গ্রেফতার করেছিলো পুলিশ।
৫) গণপিটুনির সময়ে গুজব ছড়ানো হয়, সৈয়দ ফারিদ খান নাকি অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশী, এ অভিযোগ পুরোই মিথ্যা। সৈয়দ ফারিদ খান নাগাল্যান্ডের স্থায়ী বাসিন্দা।
৬) ‘সৈয়দ ফারিদ খান নাকি বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী’ টুইটারে এই মিথ্যা গুজব ছড়ায় বিজেপির এমপি আদিত্যনাথ ।
৭) নাগাল্যান্ডের ডিমাপুর প্রচুর বাঙালি ব্যবসায়ী রয়েছে। এসব বাঙালি ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদের জন্য স্থানীয় নাগারা দীর্ঘদিন ধরে ষড়যন্ত্র করে আসছে। এ ঘটনা তাদেরই একটি অংশ। ধর্ষণের ঘটনা ও বাংলাদেশী নাগরিকের অভিযোগ ছিল সম্পূর্ণ সাজানো।
ভারতে কোন কোয়ালিটির সাম্প্রদায়িক রাজনীতি চলছে সৈয়দ ফারিদ খানকে নৃশংসভাবে হত্যা করার ঘটনা দেখলে সহজেই বোঝা যায়।
সূত্র:
১) http://goo.gl/PtdsuI
২) http://goo.gl/hG7gLU
3) http://goo.gl/xdZZUa
4) http://goo.gl/J2FzAO