$ একটি জরুরী পোষ্ট $ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
$ একটি জরুরী পোষ্ট $ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ১ জানুয়ারি, ২০১৭

যে ভুল আপনার পরিবার, সন্তান ধ্বংস করে দিচ্ছে


মানুষ বিবাহ করে একটা মহৎ উদ্দেশ্য মাথায় রেখেই। সুখী ও সুন্দর একটা পরিবার গড়ে তোলার জন্য। সেই দম্পত্তির মাধ্যমে আগত সন্তানের মাধ্যমে পরিবার ও দেশ উপকৃত হবে এটাই সবাই কামনা করে। প্রতিটা পিতা মাতাই চায় তাদের সন্তান ভালো হবে, নামাজী হবে, তাকে নিয়ে গর্ব করা যাবে ইত্যাদি। 
  • কিন্তু জানেন কি অাপনি নিজেই কখন এসবের গোড়া কেটে অঙ্কুরেই সব বিনষ্ট করে বসে আছেন? কোন মানুষ যখন কুফরী করে তখন তার সব আমল বর্বাদ হওয়ার সাথে সাথে বিবাহও বাতিল হয়ে যায়। তখন এই দম্পত্তির মাধ্যমে যে সন্তান আসবে তা আর বৈধ হয় না। উদাহরন দিলে বোঝা যাবে, ধরুন একজন ছেলে ও মেয়ের অাজকে বিয়ে। বিয়েতে সবাই খুশি প্রকাশ করে গান বাজনা করছে। বিয়ে হয়ে গেলো, পাত্র ও পাত্রী গান বাজনা শুনে বেশ প্রফুল্ল ও খুশি বোধ করছে। ফলে যেটা হলো বিবাহ হতে না হতেই বিবাহ ভঙ্গ হয়ে গেলো। হারাম বিষয়ে খুশি হলে সেটা কুফরী হয়। এই নতুন দম্পত্তি এটা কিন্তু বুঝতেও পারলো না। এখন ফলাফল যেটা হবে, এই দম্পত্তি একসাথে অবস্থান করার অর্থ হচ্ছে প্রতি মূহূর্তে জিনা ব্যাভিচারের গুনায় লিপ্ত হওয়া। আর এদের মাধ্যমে যে সন্তান আগমন করবে সব অবৈধ হতে থাকবে। যদি পূর্বেই তারা তাদের গুনাহ ফিরে এসে তওবা করে নেয়, বিবাহ দোহরাইয়ে নেয় তাহলে ভিন্ন কথা।

ঈমান হচ্ছে এতটাই সুক্ষ একটা বিষয়। হাদীস শরীফে আছে আখেরী যামানায় ঈমান রক্ষা করা হাতের উপার জ্বলন্ত কয়লা রাখার চাইতেও কঠিন। হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম গাজ্জালী রহমতুল্লাহি আলাইহি ঈমানের সুক্ষতা সম্পর্কে বলেন, ঘুটঘুটে অন্ধকার রাত, সেখানে একদম কালো একটা পাহাড়। সে পাহাড়ের ভিতর কালো একটা পাথর, সে পাথরের উপর দিয়ে কালো একটা পিপড়া হেঁটে যাওয়া যতটা সুক্ষ ঈমান তার চাইতেও সুক্ষ। 
সারারাত থার্টি ফার্ষ্ট নাইট পালন করে, বেলেল্লেপনা করে রাতকে স্মরনীয় রাখতে যেসকল দম্পতি সন্তান গ্রহনের প্রস্ততি নিয়েছে তাদের অবস্থা কি হবে ভেবে দেখেন। আজ সমাজে এত বিশৃঙ্খলা অধপতন কেন? কেন এত ফিতনা ফাসাদ? দেশ ছেয়ে গেছে অবৈধ, অনৈতিক সম্পর্কে। পরকীয়া পাপাচার রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে পরেছে। কেন আজ পাপবোধের কোন অনুভূতি জাগ্রত হচ্ছে না?
অবৈধ কিছু মানুষের কাছ থেকে ভালা কিছু অাশা করা কঠিন। এদের মাধ্যমেই সমাজে আরো ফিতনা / অশান্তি বিস্তার হচ্ছে ও হবে।
কথা গুলো শুনতে তিক্ত মনে হলেও সত্য। ইসলাম হচ্ছে শান্তি, যারা শান্তি ছেড়ে অশান্তি বেছে নেবে তাদের পরিণাম এমনই হবে। 
আল্লাহ পাক হিফাজতের মালিক।

বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৩

$ একটি জরুরী পোষ্ট $

 সবাই একটু মনোযোগ দিয়ে পড়ুন ! 

হাদীস শরীফ - ﻋﻦ ﺍﺑﻦ ﻋﺒﺎﺱ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﺍﻧﻪ ﻛﺮﻩ ﺍﻟﺼﻠﻮﺓ ﻓﻲ ﺍﻟﻜﻨﻴﺴﺔ ﺍﺫﺍ ﻛﺎﻥ ﻓﻴﺤﻬﺎ ﺗﺼﺎﻭﻳﺮ অর্থ : হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু আনহু যে ঘরে প্রনীর ছবি থাকতো, সে ঘরে নামাজ পড়া মাকরুহ মনে করতেন |" 

দলীল -- √ মুসান্নাফ ইবনে আবী শায়বা- আল বাব আছছলাহ ফিল কানায়িস ওয়াল বাই - ১ম খন্ড - ৪২৩ পৃষ্ঠা | 
 হাদীস শরীফ - ﻋﻦ ﻣﻘﺴﻢ ﺭﺣﻤﺖ ﺍﻟﻠﻪ ﻗﺎﻝ ﻗﺎﻝ ﻋﺒﺎﺱ ﻻ ﻳﺼﻠﻲ ﻓﻲ ﺑﻴﺖ ﻓﻴﻪ ﺗﻤﺎﺛﻴﻞ অর্থ : হযরত মুকসিম রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, হযরত 
 ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, যে ঘরে প্রানীর ছবি থাকে সে ঘরে নামাজ পড়বে না |"

 দলীল- √ মুছান্নাফে আবী শায়বা-আল বাব আছ ছলাতু ফিল বাইতি ফীহি তামাছিল - ১ম খন্ড- ৩৯৮ পৃষ্ঠা |

এই দুইটা হাদীস শরীফ একটু গভির ভাবে চিন্তা করুন ! আমরা মুসলমান ঈমান আনার পর সর্বপ্রথম যে কাজ করতে হয় সেটা হচ্ছে নামাজ | আমাদের সকলের জন্য নামাজ ফরয | এখন মূল বিষয় হচ্ছে,আমরা অনেকে প্রয়োজন বশত ঘরে নামাজ পড়ি | কিন্ত আমরা কি ভেবে দেখেছি, আমরা যে ঘরে নামাজ পড়ি ওই ঘর প্রনীর ছবি মুক্ত কিনা ? এখন প্রতিটা দ্রব্যের গায়ে প্রানীর ছবি থাকে | আমরা যে ঘরে নামাজ পড়ি ওই ঘরে যদি ছবি থাকে আমাদের নামাজ কিন্তু হবে না | মাকরুহ হবে ! ওই নামাজ পুনোরায় দোহরাইয়ে পড়া ওয়াজিব হবে | শুধু তাই নয়, অনেক মসজিদেও কিন্তু এমন দেখা যায় | যেমন- মসজিদে অনেক সময় আগরবাতি, মোমবাতি, মেস এগুলো থাকে | ওইগুলাতেও কিন্তু প্রানীর ছবি থাকে | আর বিশেষ করে কিছু গ্রাম এলাকা আছে সেখানে মসজিদ গুলা হয় টিনের তৈরী | এই টিনে থাকে গরু,ঘোড়া,উট,মুরগী ইত্যাদির ছবি | এসব মসজিদে নামাজ পরলেও কিন্তু নামাজ হবে না | সবার নামাজ পুনরায় পড়াটা ওয়াজিব হবে | এবং ইমাম সাহেবও কঠিন গুনাহগার হবে | আমাদের এই সুক্ষ বিষয় গুলোতে সচেতন হতে হবে | আমাদের নামাজের স্থানগুলো যেন ছবি মুক্ত হয় সে ব্যপারে সতর্ক হতে হবে | নামাজী ব্যক্তি যেখানে নামাজ পরবে তার সামনে, পেছনে , উপরে , নিচে, ডানে, বামে কোথাএ কোন প্রানীর ছবি থাকলে নামাজ ফাসেদ হয়ে যাবে | আল্লাহ পাক আমাদের এসব সুক্ষ ব্যাপার সমূহ বোঝার যোগ্যতা দান করুন | আমীন !!