কাফির লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কাফির লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ৪ মার্চ, ২০১৫

ধর্ষনের বিশ্বরেকর্ড কাফিরদের দখলে


আল্লাহ পাক বলেন, সবচাইতে নিকৃষ্ট হচ্ছে কাফির যারা ঈমান আনে নাই।" (সূরা আনফাল ৫৫)

দেখুন কুরআন শরীফের ফয়সালা অনুযায়ী তার বাস্তবতা দিবালোকের ন্যায় প্রমানিত। পৃথিবীর ধর্ষন বহুল প্রথম দশটা দেশই কাফিরদের। সেসব দেশের মধ্যে ক্রমানুসারে সর্বোচ্চ ধর্ষনের ranking দেয়া হলো-

১) যুক্তরাষ্ট্র :

বিশ্বের সুপার পাওয়ার যুক্তরাষ্ট্র ধর্ষণের দিক দিয়েও প্রথম। ৯৯ ভাগ ধর্ষকই পুরুষ। যারা শিকার তাদের মধ্যে ৯১ ভাগ নারী এবং ৯ ভাগ পুরুষ। ব্যুরো অব জাস্টিস স্ট্যাটিস্টিক্স এর তথ্য এগুলো। ন্যাশনাল ভায়োলেন্স এগেইন্সট উইমেন সার্ভের তথ্য অনুযায়ী প্রতি ৬ জনের মধ্যে ১ জন আমেরিকান নারী এবং প্রতি ৩৩ জনের মধ্যে ১ জন পুরুষ সারাজীবনে একবার অন্তত ধর্ষণের প্রচেষ্টা বা সম্পূর্ণ ধর্ষণের শিকার হয়েছে। কলেজে যাওয়ার বয়সী মেয়েদের এক চতুর্থাংশের বেশি তাদের ১৪ বছর বয়সের পর থেকে এই প্রচেষ্টা বা ধর্ষণের শিকার হয়েছে। মাত্র ১৬ শতাংশ কেস দাখিল হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে ঘরের বাইরের তুলনায় ঘরের ভেতরে ধর্ষণের ঘটনা বেশি হয়।


২. সাউথ আফ্রিকা

২০১২ সালে ৬৫,০০০ ধর্ষণ এবং আরো অনেক যৌন হয়রানির অভিযোগ দাখিল করা হয়। দেশটিকে পৃথিবীর ‘ধর্ষণের রাজধানী’ নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে। কমিউনিটি অব ইনফরমেশন, এমপাওয়ারমেন্ট অ্যান্ড ট্রান্সপারেন্সি থেকে ৪০০০ নারীকে প্রশ্ন করা হয়। প্রতি ৩ জনের মধ্যে ১ জন উত্তর দেয় যে এর আগের বছর সে ধর্ষিত হয়েছে। মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের এক জরিপে দেখা গেছে যে ২৫ ভাগের বেশি সাউথ আফ্রিকান পুরুষ ধর্ষণ করেছে, এদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই বলেছে যে তারা একের অধিক নারীকে ধর্ষণ করেছে। যারা স্বীকার করেছে তাদের প্রতি ৪ জনের মধ্যে ৩ জনই বলেছে যে তাদের টিনএজ বয়সে তারা এই আক্রমণ করেছে। শিশু ধর্ষণে অন্যতম সাউথ আফ্রিকা। ধর্ষণের অপরাধে সাজা হয় মাত্র ২ বছর।


৩. সুইডেন

ইওরোপে সবচেয়ে বেশি ধর্ষণ রিপোর্ট করা হয় সুইডেনে। এখানে প্রতি ৪ জন নারীর ১ জন ধর্ষণের শিকার হয়। ২০১০ সালের মধ্যে সুইডিশ পুলিশের তথ্য অনুযায়ী প্রতি ১ লাখ অধিবাসীর মধ্যে ৬৩ ভাগ এর শিকার হয়। ২০০৯ সালে ১৫,৭০০ রেপ কেস রিপোর্ট করা হয় যা ২০০৮ সালের চেয়ে ৮ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে ৫,৯৪০টি ছিল ধর্ষণ এবং ৭,৫৯০টি যৌন হয়রানির যার ভেতরে গোপন চিত্র প্রকাশ করে দেয়া অন্তর্ভুক্ত। ২০০৯ সালে দেখা যায় যৌন অপরাধ এর আগের ১০ বছরের চাইতে ৫৮ শতাংশ বেড়ে গেছে। ইওরোপিয় ইউনিয়নের তথ্য অনুযায়ী রিপোর্ট করা হয়েছে এমন রেপ কেস পুরো ইওরোপের মধ্যে সুইডেনে সবচাইতে বেশি।


৪. ভারত

ভারতে যৌন হয়রানি ক্রমশ বাড়ছে। নারীর প্রতি সংঘটিত অপরাধের মধ্যে ধর্ষণ সেখানে অন্যতম। ন্যাশনাল ক্রাইম রিপোর্টস ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী ২০১২ সালে ২৪,৯২৩টি রেপ কেস রিপোর্ট করা হয়, কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে অলিখিত কেসগুলো মিলিয়ে হিসাব করলে এই সংখ্যা অনেক বেড়ে যাবে। এর মধ্যে ২৪,৮৭০টি ধর্ষণ সংঘটিত হয়েছে অভিভাবক/পরিবার, আত্মীয়, প্রতিবেশী ও পরিচিত মানুষ দ্বারা, ৯৮ ভাগ ধর্ষকই ছিল ধর্ষিতার পরিচিত। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী প্রতি ২২ মিনিটে ভারতে একটি করে নতুন রেপ কেস রিপোর্ট করা হয়।


৫. যুক্তরাজ্য

অনেকেই একটি উন্নত দেশ হিসেবে যুক্তরাজ্যে থাকতে চায়, অন্তত বেড়ানোর জন্য হলেও যেতে চায়। কিন্তু তারা হয়ত অবগত না যে ধর্ষণের মতো অপরাধে সাংঘাতিকভাবে ডুবে আছে এই দেশ। ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে দেশটির মিনিস্ট্রি অব জাস্টিস, অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিক্স এবং হোম অফিস যুক্তরাজ্য ও ওয়েলসে সংঘটিত যৌন সহিংসতার ওপর একটি বুলেটিন একসঙ্গে প্রকাশ করে। রিপোর্টে বলা হয়- প্রতি বছর গড়ে ৮৫,০০০ নারী ধর্ষিত হয়। ৪ লাখের ওপরে নারী শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হয়। প্রতি ৫ জন (১৬-৬৫ বছর বয়সী) নারীর মধ্যে একজন কোনো না কোনো যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন জীবনে।


৬. জার্মানি

এখন পর্যন্ত প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার নারী ও শিশু ধর্ষণের ফলে মৃত্যুমুখে পতিত হয়েছে জার্মানিতে। এ বছর জার্মানিতে রিপোর্ট করা হয়েছে ৬৫ লাখ ৭ হাজার ৩শ ৯৪টি রেপ কেস যা একটা বিরাট সংখ্যা। জার্মান ক্যাথলিক সরকার ধর্ষিতাদেরকে মর্নিং আফটার পিল খাওয়ার অনুমতি দিয়েছে। প্রযুক্তিতে ক্রমবর্ধমান এই দেশটি আসলে মানবিকতায় পিছিয়ে যাচ্ছে।


৭. ফ্রান্স

১৯৮০ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সে ধর্ষণ কোনো অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতো না। নারীর অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আইন প্রণয়ন খুব সাম্প্রতিক ঘটনা। মাত্র ১৯৮০ সালে ধর্ষণকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে আইন পাশ হয়। এর আগে ঊনবিংশ শতাব্দীর মোরাল কোড অনুযায়ী ডিক্রী জারি করা হতো। যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে একটি আইন অনুমোদন পায় ১৯৯২ সালে এবং নৈতিক হয়রানির বিরুদ্ধে আরেকটি পায় ২০০২ সালে। নারীর ওপর সহিংসতা প্রতিরোধে শেষ বিলটি পাশ হয় গতবছর। সরকারি হিসাবে প্রতি বছর দেশটিতে ৭৫,০০০ ধর্ষণ সংঘটিত হয়। মাত্র ১০ ভাগ নির্যাতিতা অভিযোগ দাখিল করেছে। ৩৭ লাখ ৭১ হাজার ৮শ ৫০টি দাখিলকৃত ধর্ষণের হিসাব নিয়ে ফ্রান্স এ তালিকায় সপ্তম।


৮. কানাডা

অষ্টম অবস্থানে আছে কানাডা। এটি এমন একটি দেশ যেখানে শাস্তি প্রদান করা হয়। এ দেশে রিপোর্টেড কেসের সংখ্যা ২৫ লাখ ১৬ হাজার ৯শ ১৮ এবং মোট রেপ কেসের তা মাত্র ৬ ভাগ। প্রতি ৩ জন নারীর মধ্যে ১ জন নারী যৌন হয়রানির শিকার হয় কিন্তু মাত্র ৬ শতাংশ পুলিশে রিপোর্ট করা হয়। জাস্টিস ইন্সটিটিউট অব ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার মতে প্রতি ১৭ জন নারীর ১ জন ধর্ষিত হয়েছে, ৬২ শতাংশ ধর্ষিতা শারীরিকভাবে আহত হয়েছে এবং ৯ শতাংশ ধর্ষিতা মার খেয়েছে ও তাদেরকে বিকৃত করে দেয়া হয়েছে।


৯. শ্রীলঙ্কা

শ্রীলঙ্কার নিরাপত্তা বাহিনী এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজনদের ধর্ষণ ও নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি অভিযোগ এসেছে যে সিভিল ওয়ার শেষ হয়ে যাওয়ার ৪ বছর পরেও শ্রীলঙ্কার নিরাপত্তা বাহিনী অত্যাচার ও ধর্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে। পুরুষ ও সহিংসতা বিষয়ে জাতিসংঘের একটি মাল্টি কান্ট্রি গবেষণায় পাওয়া গেছে যে শ্রীলঙ্কার ১৪.৫ শতাংশ পুরুষ জীবনের কোনো না কোনো সময়ে ধর্ষণ করেছে। ৪.৯ শতাংশ পুরুষ গতবছর ধর্ষণ করেছে। ২.৭ শতাংশ পুরুষ অন্য পুরুষকে ধর্ষণ করেছে। ১.৬ শতাংশ পুরুষ কোনো গণধর্ষণে অংশ নিয়েছে। ধর্ষণকারীদের মধ্যে ৯৬.৫ শতাংশ পুরুষ কোনো আইনি প্রশ্নের মুখোমুখি হয়নি। ৬৫.৮ শতাংশ ধর্ষক কোনোরকম উদ্বেগ বোধ করেনি বা অপরাধবোধে ভোগেনি। ৬৪.৯ শতাংশ একবারের বেশি ধর্ষণ করেছে এবং ১১.১ শতাংশ ধর্ষক ৪ বা তার অধিক শিশু ও নারী ধর্ষণ করেছে।


১০. ইথিওপিয়া

এ তালিকার দশম অবস্থানে আছে ইথিওপিয়া। নারীর প্রতি সহিংসতায় অন্যতম এই দেশটি। জাতিসংঘের একটি জরিপে উঠে এসেছে যে এ দেশের প্রায় ৬০ ভাগ নারী যৌন সহিংসতার শিকার। ধর্ষণ খুবই গুরুতর একটি সমস্যার আকার নিয়েছে সেখানে। অপহরণ করে বিয়ে করার কারণে ইথিওপিয়া কুখ্যাত এবং এই ব্যাপারটি সেদেশেই সবচাইতে বেশি হয়। সেখানে অনেক জায়গায়ই পুরুষরা বন্ধুবান্ধব নিয়ে কোনো মেয়ে বা মহিলাকে উঠিয়ে নিয়ে যায় এবং তারা ঘোড়া ব্যবহার করাতে পালাতে সুবিধা হয়। ইথিওপিয়ায় এটা খুব সাধারণ ঘটনা। অপহরণকারী এরপর তার কনেকে ধর্ষণ করে চলে যতদিন না সে অন্তঃসত্ত্বা হয়। ১১ বছরের কন্যাশিশুও ছাড়া পায় না তাদের হাত থেকে। এছাড়া ইথিওপিয়ার মিলিটারিরাও এই অপরাধে অভিযুক্ত।

তথ্যসূত্র -
(১) উইকিপিডিয়া।
(২) http://akhonsamoy.com/ধর্ষণের-তালিকায়-শীর্ষ-১০/

মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০১৫

কাফিরা মুসলমান কত ঘৃণা করে অথচ মুসলমানরা তাদের সাথেই দোস্তী করে


যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে ডেট্রয়েট যাচ্ছিলো ডেলটা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট। ঐ ফ্লাইটে দার্লিন হায়দার (৩২) নামক হিজাব পরিহিতা এক মুসলিম বোন ছিলেন , যিনি তার স্বামী ও ৪ শিশু সন্তানকে নিয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু প্লেনে উঠতেই কিছু কাফির যাত্রী চিৎকার করে বলতে থাকলো: “এটা আমেরিকা, এখানে প্লেনে হিজাব পড়ে উঠে কিভাবে?”
এক পর্যায়ে একজন ক্রু এসে দার্লিন হায়দারকে বললো : “তুমি তোমার সন্তানদের নিয়ে সিট ছেড়ে দাও, এবং উন্মুক্ত স্থানের সিটে বসো।: কিন্তু দার্লিন হায়দার সিট ছাড়তে অস্বীকার করায় ঐ কাফির ক্রু ক্ষুদ্ধ হয়ে বললো : “তুমি আমার ধৈর্যের শেষ সীমায় উপনিত হয়েছো, এখনই সিট ছেড়ে দাও, নয়তো তোমাকে লাথি মেরে প্লেন থেকে ফেলে দেবো”।

খরব সূত্র:
১) http://goo.gl/Qd69QL

২) Video link- http://youtu.be/_Fem8CX5Rjs

কাফিররা মুসলমানদের বিরুদ্ধে এ ধরনের আচরণ করবে এটাই স্বাভাবিক। কেননা পবিত্র কুরআন পাকেই এ সম্পর্কে লেখা আছে:

১) “হে ঈমানদারগণ! তোমরা মুমিন ব্যতীত অন্য কাউকে অন্তরঙ্গরূপে গ্রহণ করো না, তারা তোমাদের অমঙ্গল সাধনে কোন ক্রটি করে না-তোমরা কষ্টে থাক, তাতেই তাদের আনন্দ। শত্রুতাপ্রসুত বিদ্বেষ তাদের মুখেই ফুটে বেরোয়। আর যা কিছু তাদের মনে লুকিয়ে রয়েছে, তা আরো অনেকগুণ বেশী জঘন্য।” (সূরা আল ইমরান: ১১৮)

২) “দেখ! তোমরাই (মুসলমানরা) তাদের (কাফিরদের) ভালবাস, কিন্তু তারা তোমাদের প্রতি মোটেও সদভাব পোষণ করে না।” ( সূরা আল ইমরান: ১১৯)

৩) তোমাদের (মুসলমানদের) যদি কোন মঙ্গল হয়; তাহলে তাদের (কাফিরদের) খারাপ লাগে। আর তোমাদের যদি অমঙ্গল হয় তাহলে আনন্দিত হয় ( সূরা আল ইমরান: ১২০)

৪) “নিশ্চয়ই সমস্ত প্রাণীর মাঝে আল্লাহ তায়ালার নিকট কাফিরেরাই সবচেয়ে নিকৃষ্ট, যারা ঈমান আনেনি।” (সূরা আনফাল- ৫৫)

) “নিশ্চয়ই কাফিররা মহান আল্লাহ তায়ালা সাথে শত্রুতা করে” (সূরা বাকারার : ৯৮)

) ‘তোমরা (মুসলমানরা) তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে প্রথমতঃ ইহুদীদেরকে অতঃপর মুশরিকদেরকে।’ (সূরা মায়িদা: ৮২)

৭) নিশ্চয়ই মুশরিকরা নাপাক বা অপবিত্র। (সূরা-তাওবাহ, আয়াত : ২৮)

৮) “হে ঈমানদারগণ! তোমরা ইহুদী ও খ্রিস্টানদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করোনা। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত।” (সূরা মায়িদা-৫১)

৯)“তারা কাফের মুশরিকরা এটাই কামনা করে যে, তারা যেরূপ কুফরী করেছে তোমরাও সেইরূপ কুফরী কর, যাতে তোমরা তাদের সমান হয়ে যাও। (সূরা নিসা: ৮৯)

১০) “হে ঈমানদারগণ! তোমরা যদি কাফিরদের কথা শোনো, তাহলে ওরা তোমাদেরকে পেছনে ফিরিয়ে দেবে, তাতে তোমরা ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে পড়বে।” (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১৪৯)

মুসলমানদের শত্রু কাফিরদের সাথে বন্ধুত্ত করার কারনে আজ মুসলমানরা দুনিয়াতে লাঞ্ছিত হচ্ছে। শত্রুর সাথে কি রকম আচরন করতে হয় সেটা ভুলে গেলে কি চলবে ?

মুসলমানদের বেশি করে কুরআন শরীফ পড়া উচিত, কুরআন শরীফের সমস্ত কিছুর বর্ণনা স্পষ্ট করে আছে।