রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

৮ম হিজরী শতকে আলজেরিয়াতে রাজকীয়ভাবে ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন

 ইতিপূর্বে ৮ম হিজরী শতকে আলজেরিয়াতে রাজকীয়ভাবে ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন নিয়ে আলোচনা করেছি। হযরহ ইউসুফ নাবেহানী রহমতুল্লাহি আলাইহির কিতাব থেকে সংক্ষেপে। আজকের লেখায় বিস্তারিত সেই মাহফিলের বিবরন দেয়া হবে, যা পড়লে বুঝতে পারবেন সেই সময় কতটা গুরুত্ব ও সম্মানের সাথে ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা হতো।



হযরত শিহাবুদ্দীন আবুল আব্বাস আহমদ ইবন মুহাম্মদ আল মাক্কারী আত তিলমিসানী রহমতুল্লাহি আলাইহি (ওফাত: ১০৪১ হিজরী) তিনি একখানা গুরুত্বপূর্ণ কিতাব রচনা করেন যার নাম নাফহুত্ ত্বীব মিন গুস্নিল আন্দালুসির রত্বীব ওয়া যিকরু ওয়াযীরিহা লিসানুদ্দীন ইবনিল খতীব। কিতাবখানা আন্দালুসের ইতিহাস, সভ্যতা, সাহিত্য, আলেম-উলামা, কবি, নগর, স্থাপত্য, সংস্কৃতি এবং মুসলিম আন্দালুসের ঐতিহ্যের একটি বিশাল সংকলন। এই কিতাবে তিনি আলজেরিয়াতে ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের রাজকীয় বর্ণণা দিয়েছেন-

وقد حذا حذوها الفقيه الكاتب أبوزكريا يحيى بن خلدون أخو قاضي القضاة ولي الدين بن خلدون صاحب التاريخ، فقال في مولد عام ثمانية وسبعين وسبعمائة، واستطرد لمدح السلطان أبي حموموسى صاحب تلماسن الذي تقدم ذكره قريباً

আর তাঁর অনুসরণ করেছিলেন ফকীহ ও লেখক আবু যাকারিয়্যা ইয়াহইয়া ইবনু খালদূন যিনি ইতিহাসের প্রসিদ্ধ গ্রন্থের রচয়িতা কাজীউল কুযাত ওয়ালিয়ুদ্দীন ইবনু খালদূনের ভাই। তিনি ৭৭৮ হিজরির মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অনুষ্ঠানে (এ বিষয়ে কবিতা রচনা করেন) এবং প্রসঙ্গক্রমে তিলমসানের শাসক সুলতান আবু হাম্মূ মূসার প্রশংসা করেন যাঁর কথা কিছুক্ষণ আগেই উল্লেখ করা হয়েছে। (নাফহুত ত্বীব ৬/৫১০)

** ইবনে খালদুনের ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের ঐতিহাসিক বর্ণনা পরবর্তীতে লেখার চেষ্ট করবো ইনশাআল্লাহ।



وكان السلطان أبوحموالممدوح بهذه القصيدة يحتفل لليلة مولد رسول الله صلى الله عليه وسلم غاية الاحتفال، كما كان ملوك المغرب والأندلس في ذلك العصر وما قبله

অন্ধকার ও প্রভাতের সময় মানুষ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাধ্যমে হেদায়াত লাভ করত। আর এই কাসীদায় যাঁর প্রশংসা করা হয়েছে, সেই সুলতান আবু হাম্মূ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মীলাদের রাত অত্যন্ত জাঁকজমক ও গুরুত্বের সঙ্গে উদযাপন করতেন; যেমন সে যুগে এবং তার পূর্ববর্তী সময়ে মরক্কো ও আন্দালুসের রাজা-বাদশাহরা করতেন। (নাফহুত ত্বীব ৬/৫১৩)

 

ومن احتفاله له ما حكاه شيخ شيوخ شيوخنا الحافظ سيدي أبوعبد الله التنسي ثم التلمساني في كتابه راح الأرواح فيما قاله المولى أبوحمومن الشعر وقيل فيه من الأمداح وما يوافق ذلك على حسب الاقتراح ونصه: أنه كان يقيم ليلة الميلاد النبوي - على صاحبه الصلاة والسلام - بمشورة من تلمسان المحروسة مدعاة حفيلة يحشر فيها الناس خاصة وعامة، فما شئت من نمارق مصفوفة، وزرابي مبثوثة، وبسط موشاة، ووسائد بالذهب مغشاة، وشمع كالأسطوانات، وموائد كالهالات، ومباخر منصوبة كالقباب، يخالها المبصر تبراً مذاب، ويفاض على الجميع أنواع الأطعمة، كأنها أزهار الربيع المنمنمة، تشتهيها الأنفس وتستلذها النواظر، ويخالط حسن رياها الأرواح ويخامر، رتب الناس فيها على مراتبهم ترتيب احتفال، وقد علت الجميع أبهة الوقار والإجلال، وبعقب ذلك يحتفل المسمعون بأمداح المصطفى عليه الصلاة والسلام، ومكفرات (١) ترغب في الإقلاع عن الآثام، يخرجون فيها من فن إلى فن ومن أسلوب إلى أسلوب، ويأتون من ذلك بما تطرب له النفوس وترتاح إلى سماعه القلوب، وبالقرب من السلطان رضوان الله تعالى عليه خزانة المنجانة قد زخرفت كأنها حلة يمانية، لها أبواب موجفة (٢) على عدد ساعات الليل الزمانية،

আর হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপনের একটি দৃষ্টান্ত হলো আমাদের উস্তাদদের উস্তাদদের উস্তাদ, হাফিজ সাইয়্যিদ আবু আবদুল্লাহ আত-তানসী রহমতুল্লাহি আলাইহি আত-তিলমসানী তাঁর গ্রন্থ রাওহুল আরওয়াহতে যা বর্ণনা করেছেন। গ্রন্থটিতে মাওলা আবু হাম্মূনের কবিতা এবং তাঁর সম্পর্কে রচিত প্রশংসামূলক কবিতাগুলো, এবং প্রস্তাব অনুযায়ী এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিষয় আলোচনা করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য হলো:

তিলমসান নগরীতে তিনি হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফের রাত উপলক্ষে পরামর্শক্রমে একটি অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করতেন। সেখানে বিশেষ ও সাধারণ সব শ্রেণির মানুষ সমবেত হতো।

তখন তুমি যত রকমের সারিবদ্ধ গদি, বিছানো কার্পেট, কারুকার্যখচিত চাদর-বিছানা, এবং সোনায় মোড়ানো বালিশ দেখতে চাইবে সবই সেখানে থাকত। থাকত স্তম্ভের মতো বড় বড় মোমবাতি, জ্যোতির্বলয়ের মতো সাজানো খাবারের টেবিল, এবং গম্বুজের মতো স্থাপিত ধূপদানী; দেখে মনে হতো যেন গলিত সোনা। সবার সামনে বিভিন্ন ধরনের খাবার পরিবেশন করা হতো যেন বসন্তের নকশাখচিত ফুলের সমারোহ। তা মানুষের মনকে আকৃষ্ট করত এবং চোখকে আনন্দ দিত; তার সুগন্ধের সৌন্দর্য যেন মানুষের আত্মাকে পরিপূর্ণ করে দিত এবং মনকে আচ্ছন্ন করে ফেলত।

মানুষকে তাদের মর্যাদা ও অবস্থান অনুযায়ী যথাযথভাবে বিন্যস্ত করা হতো, যথাযথ উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা বজায় রেখে। আর সকলের ওপরই গাম্ভীর্য ও সম্মানের জাঁকজমক বিরাজ করত।

এরপর মাওলিদ পাঠকারী ব্যক্তিরা নির্বাচিত হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রশংসা ও নাত শরীফ পরিবেশন করতেন এবং এমন মুকাফফিরাত পাঠ করতেন, যা মানুষকে পাপ থেকে বিরত হয়ে তওবা ও পাপ পরিত্যাগের প্রতি উৎসাহিত করত। তাঁরা এক বিষয় থেকে আরেক বিষয়ে, এক রীতির পাঠ থেকে অন্য রীতির পাঠে যেতেন। তাঁরা এমনভাবে তা পরিবেশন করতেন, যা মানুষের মনকে আনন্দিত করত এবং শ্রোতাদের হৃদয়কে তা শুনে প্রশান্ত করে তুলত।

আর সুলতানের নিকটে আল-মানজানাহ-এর একটি কক্ষ ছিল, যা এমনভাবে সজ্জিত করা হয়েছিল যেন তা ইয়ামানি অলংকারে সজ্জিত কোনো পোশাক। তার দরজাগুলো রাতের সময়ের ঘণ্টাগুলোর সংখ্যা অনুযায়ী সাজানো থাকত। অতঃপর রাতের যত ঘণ্টা অতিক্রান্ত হতো, প্রতিটি ঘণ্টার হিসাব অনুযায়ী ততবার শব্দ করা হতো। আর তখন সেই কক্ষের একটি দরজা খোলা হতো। সেই দরজা দিয়ে একজন খাদেমা বেরিয়ে আসত, যাকে অত্যন্ত সুন্দর আকৃতিতে সাজানো হতো। তার ডান হাতে থাকত একটি লিখিত পত্র, যাতে ওই নির্দিষ্ট ঘণ্টার নামকে কেন্দ্র করে রচিত একটি কবিতা লেখা থাকত। সে অত্যন্ত কোমলতা ও ভদ্রতার সঙ্গে পত্রটি সুলতানের সামনে রেখে দিত। আর তার বাম হাতটি সে মুখের কাছে রাখত যেন খিলাফতের প্রতি আনুগত্যের বায়আত সম্পাদনকারীর মতো।

এইভাবে তাদের অনুষ্ঠান চলতে থাকত ভোরের আলো ফুটে ওঠা পর্যন্ত এবং মুয়াজ্জিনের হাইয়া আলাল ফালাহধ্বনি শোনা পর্যন্ত।

 

وقال التنسي المذكور في كتابه المسمى بنظم الدر والعقيان في شرف بني زيان وذكر ملوكهم الأعيان ما نصه: وكان السلطان أبو حمو يقوم بحق ليلة مولد المصطفى صلى الله عليه وسلم، ويحتفل لها بما هوفوق سائر المواسم، يقيم مدعاة (١) يحشر لها لأشراف والسوقة، فما شئت من نمارق مصفوفة، وزرابي مبثوثة، وشمع كالأسطوانات، وأعيان الحضرة على مراتبهم تطوف عليهم ولدان قد لبسوا أقبية الخز الملون وبأيديهم مباخر ومرشات ينال كل منها بحظه، وخزانة ذات تماثيل لجين محكمة الصنعة، بأعلاها أيكة تحمل طائراً فرخاه تحت جناحيه، ويختله فيهما أرقم خارج من كوة بجذر الأيكة صاعدا (٢) ، وبصدرها أبواب مرتجة بعدد ساعات الليل الزمانية، يصاقب طرفيها بابان كبيران، وفوق جميعها دوين رأس الخزانة قمر أكمل يسير على خط الاستواء سير نظيره في الفلك، ويسامت أول كل ساعة بابها المرتج، فينتقض من البابين الكبيرين عقابان، بفي كل واحد منهما صنجة صفر يلقيها إلى طست من الصفر بوسطه ثقب يفضي بها إلى داخل الخزانة فيرن، وينهش الأرقم أحد الفرخين، فيصفر له أبوه، فهناك يفتح باب الساعة الذاهبة، وتبرز منه جارية محتزمة كاظرف ما أنت راء، بيمناها إضبارة فيها اسم ساعتها منظوماً، ويسراها موضوعة على فيها كالميابعة بالخلافة، والمسمع قائم ينشد أمداح سيد المرسلين وخاتم النبيين ومولانا محمد صلى الله عليه وسلم، 

উল্লিখিত তানসী তাঁর নাযমুদ দুররি ওয়াল-ইকিয়ান ফি শরাফি বানী যাইয়ান ওয়া যিকরি মুলূকিহিম আল-আইয়ান নামক গ্রন্থে নিম্নোক্ত কথা বলেছেন:

সুলতান আবু হাম্মূ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রাতের যথাযথ মর্যাদা রক্ষা করতেন এবং অন্যান্য সকল মৌসুম ও উৎসবের তুলনায় এই রাতের জন্য আরও বেশি জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন করতেন। তিনি একটি বৃহৎ দাওয়াতের আয়োজন করতেন, যাতে সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ পর্যন্ত সবাইকে সমবেত করা হতো।

সেখানে থাকত সারিবদ্ধভাবে সাজানো গদি, বিছানো কার্পেট এবং স্তম্ভের মতো বড় বড় মোমবাতি। রাজদরবারের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা তাঁদের মর্যাদা অনুযায়ী নিজ নিজ স্থানে থাকতেন। তাদের চারপাশে এমন সব বালক ঘুরে বেড়াত, যারা রঙিন পোশাক পরিহিত ছিল এবং তাদের হাতে থাকত ধূপদানী ও সুগন্ধি ছিটানোর পাত্র। ফলে উপস্থিত প্রত্যেক ব্যক্তি তার নিজ নিজ অংশ অনুযায়ী সুগন্ধি ও সৌরভ লাভ করত।

আর সেখানে ছিল একটি কারুকার্যখচিত কক্ষ, যার মধ্যে রূপার তৈরি বিভিন্ন আকৃতি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে নির্মিত ছিল। তার উপরে ছিল একটি বৃক্ষের মতো কাঠামো, যার ওপর একটি পাখি বসানো ছিল এবং তার দুই ছানা তার দুই ডানার নিচে ছিল। একটি সর্পসদৃশ বস্তু গাছটির গোড়ার একটি ছিদ্র থেকে বের হয়ে উপরের দিকে উঠত এবং পাখির ছানাদুটিকে আক্রমণ করত।

সেই ভাণ্ডারের সম্মুখভাগে রাতের সময়ের ঘণ্টার সংখ্যার সমান সংখ্যক বন্ধ দরজা ছিল। এর দুই পাশে ছিল দুটি বড় দরজা। সবগুলোর উপরে, ভাণ্ডারের মাথার কিছু ওপরে, একটি পূর্ণিমার চাঁদের মতো গোলক ছিল, যা বিষুবরেখার ওপর আকাশে তার অনুরূপ বস্তুর চলার মতো চলত।

এদিকে একজন মাওলিদ-পাঠক দাঁড়িয়ে থাকতেন এবং তিনি নবী-রাসুলগণের সাইয়্যিদ, সর্বশেষ নবী এবং আমাদের মাওলা হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রশংসামূলক কবিতা পাঠ করতেন।

 

ثم يؤتى آخر الليل بموائد كالهالات دوراً، والرياض نوراً، وقد اشتملت من أنواع محاسن المطاعم (١) على ألوان تشتهيها الأنفس وتستحسنها الأعين، وتلذ بسماع أسمائها الآذان، وبشرة مبصرها للقرب منها والتناول وإن كان ليس بغرثان، والسلطان لم يفارق مجلسه الذي أبتدأ جلوسه فيه، وكل ذلك بمرأى منه ومسمع حتى يصلي هنالك صلاة الصبح. على هذا الأسلوب تمضي ليلة المصطفى صلى الله عليه وسلم في جميع أيام دولته، أعلى الله تعالى مقامه في عليين، وشكر له في ذلك صنيعه الجميل آمين.

এরপর রাতের শেষভাগে গোলাকৃতিতে চাঁদের মতো সাজানো খাবারের টেবিলসমূহ আনা হতো এবং সেগুলো যেন আলোয় উদ্ভাসিত বাগানের মতো দেখাত। সেগুলোতে বিভিন্ন ধরনের উৎকৃষ্ট ও সুস্বাদু খাবার থাকত এমন সব রকমের খাবার, যা মানুষের মন কামনা করত, চোখে সুন্দর লাগত এবং যার নাম শুনতেও কান আনন্দ পেত। এমনকি যে ব্যক্তি ক্ষুধার্ত নয়, সেও সেগুলো দেখে কাছে গিয়ে খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা অনুভব করত।

আর সুলতান যে আসনে বসে অনুষ্ঠান শুরু করেছিলেন, সেখান থেকে একটুও বিচ্ছিন্ন হতেন না। এসব কিছু তাঁর চোখের সামনে এবং তাঁর শ্রবণের মধ্যে সংঘটিত হতো এমনকি তিনি সেখানেই ফজরের নামাজ আদায় করতেন।

এই পদ্ধতিতেই সুলতানের সমগ্র শাসনকাল জুড়ে মুস্তফা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাওলিদের রাত অতিবাহিত হতো। আল্লাহ তাআলা আখিরাতে উনার মর্যাদা উচ্চ করুন এবং এর জন্য তাঁর এই সুন্দর কাজের প্রতিদান হিসেবে তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন। আমিন। (নাফহুত ত্বীব ৬/৫১৫)

 

সম্মানিত পাঠকবৃন্দ! ভেবে দেখেন ৮ম হিজরী শতকে আলজেরিয়াতে সুলতানের পৃষ্ঠপোষকতায় কতটা জাঁকজমকের সাথে ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালিত হতো। যুগশ্রেষ্ঠ আলেম উলামারা সেই মাহফিলে উপস্থিত থাকতেন। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদের সময়ে পৃথিবীব্যাপী আবারো সেই জাঁকজমকের সাথে ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করতে হবে।

0 comments:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন