রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মুসলমানদের ঐতিহ্যগত আমল হচ্ছে সর্বদা ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করে আসা

যুগে যুগে এই আমল চলে আসছে ইমাম শিহাবুদ্দীন কান্তালানী রহমতুল্লাহি আলাইহির বক্তব্য থেকে বুঝতে পারি। ইমাম কস্তালানী রহমতুল্লাহি আলাইহি (ওফাত ৯২২ হিজরী) ‘মাওয়াহিবুল লাদুন্নিয়াহ’ কিতাবের ১/৭৮ পৃষ্ঠার মধ্যে বর্ণনা করেন,

ولا زال أهل السلام يحتفلون بشهر مولده عليه السّلام، ويعملون الولائم، ويتصدقون فى لياليه بأنواع الصدقات، ويظهرون السرور، ويزيدون فى المبرات. ويعتنون بقراءة مولده الكريم، ويظهر عليهم من بركاته كل فضل عميم. ومما جرب من خواصه أنه أمان فى ذلك العام، وبشرى عاجلة بنيل البغية والمرام، فرحم الله امرآ اتخذ ليالى شهر مولده المبارك أعيادا، ليكون أشد علة على من فى قلبه مرض
আর মুসলিমগণ সব সময় হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পবিত্র বেলাদত মাসে মীলাদ মাহফীলের আয়োজন করে আসছেন। রবিউল আউয়াল মাসে লোকদেরকে খাবার পরিবেশন করে, সদকা খয়রাতের সম্ভাব্য সব পদক্ষেপ গ্রহন করে, আনন্দ, অধিক হারে নেক কাজ এবং মীলাদ মাহফীলের আয়োজন করে। প্রত্যেক মুসলমান মীলাদ শরীফের বরকতে ফয়েজ লাভকরে। মীলাদুন্নবী এর পরীক্ষিত বিষয়সমুহের মধ্যে একটি যে, যে বছর মীলাদ পালন করা হয়, সে বছর শান্তিতে অতিবাহিত হয়। অধিকন্তু এ আমল নেক উদ্দেশ্য ও আন্তরিক বাসনার পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের সুসংবাদ। আল্লাহ তাআলা ঐ ব্যক্তির উপর রহম করেন, যিনি মিলাদুন্নবীর মাসের রাতসমূহ ঈদ হিসাবে পালন করে ঐসব লোকের রোগ যন্ত্রনা বৃদ্ধি করে যাদের অন্তর আগ থেকে নবী বিদ্বেষে মারাত্মক ভাবে আক্রান্ত।"


সুতরাং ইসলামের ইতিহাস সাক্ষী দেয়, ঈদে মীলাদুন্নবী কোন হঠাৎ আর্বিভূত কোন আমল নয়। এটা মুসলমানদের সাংস্কৃতি, ঐতিহ্য, নবীপ্রেম ও নৈকট্যের অন্যতম মাধ্যম। যারা এটা মানতে পারে না তাদের অন্তর প্রকৃতপক্ষে রোগাক্রান্ত। আল্লাহ পাক তাদের হেদায়েত দান করুন।

0 comments:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন